প্রত্যেকটি ভিউয়ার্স আমার ছোট ভাই বোনের মত বর্তমানে চাকরির পরিস্থিতি খুবই খারাপ আমার হিসাবে শেষ পাঁচ বছরে পুলিশ ছাড়া তেমন কোনো রিকুমেন্ট চোখে পড়েনি বর্তমান বাজারে চাকরিটা একটা বিজনেস মডেল পরিণত হয়েছে একটু বোঝালে ব্যাপারটা তোমরা আরো ভালো করে বুঝতে পারবে
ধরো তুমি স্কুল টিচার হতে যাও এক্ষেত্রে অনেক বাধা প্রথমত প্রতিবছর রিকুমেন্ট হয় না দ্বিতীয়তঃ স্কুল টিচার হতে গেলে প্রাইমারি ক্ষেত্রে তোমাকে d.el.ed কোর্স করতে হবে আবার হাই স্কুলের টিচার হতে গেলে বিএড কোর্স করতে হবে
কিন্তু একটু ভেবে দেখো একটা মধ্যবিত্ত বা নিম্ন মধ্যবিত্ত অথবা একটা গরিব ফ্যামিলির ছেলে মেয়ে কি করে এক লাখ দু লাখ টাকা খরচা করে কোর্স করবে কিন্তু তার মধ্যে ট্যালেন্ট আছে শিক্ষক বা শিক্ষিকা হওয়ার
হিসাবটা যদি এমন করে করা হতো গ্রাজুয়েশন বা উচ্চমাধ্যমিক পাশ করার পরে তুমি চাকরির পরীক্ষায় বসতে পারবে এবং চাকরি পাওয়ার তিন বছরের মধ্যে শিক্ষক হওয়ার প্রশিক্ষণ নিতেই হবে তাহলে কিন্তু অনেক ট্যালেন্টেড শিক্ষক শিক্ষিকা আমরা পশ্চিম বাংলার বুকে দেখতে পারতাম
যাইহোক এটা গেল স্কুল টিচার নিয়োগ নিয়ে আর সেইখানে তো দুর্নীতি হয়েছে এখন সেটা সোশ্যাল-মিডিয়ায়-ভাইরাল সেটা নিয়ে বলার অপেক্ষা রাখে না
এবার ভেবে দেখো তুমি রেলের গ্রুপ ডি তে চাকরি করতে চাও সেক্ষেত্রেও তোমাকে আইটিআই কোর্স করতে হবে এখন বর্তমানে মার্কেটে প্রচুর সরকারি আইটিআই কোম্পানি গজিয়ে উঠেছে আর কেন ব উঠবে না কারণ রেলের চাকরি করতে গেলে আইটিআই করতেই হবে সুতরাং এখানে একটা বিজনেস মডেল গড়ে উঠেছে
তবে এইখানে একটা প্রশ্ন উঠে যায় তাহলে যারা আগে গ্রুপ দি চাকরি করতো বা চাকরি পেয়েছে তাহলে তারা আইটিআই ছাড়া কি করে কাজ করছে
আসলে সবই বিজনেস মডেল কোর্স করো পয়সা খরচা করো বাড়িতে বেকার হয়ে বসে থাকো
কোর্স না করেও চাকরি দেয়া সম্ভব যেটা আগে ছিল সরকারের ভাবা উচিত ছিল একটা মধ্যবিত্ত বা নিম্ন মধ্যবিত্ত বা গরীব এদের পক্ষে কোর্স করে দীর্ঘদিন ধরে চাকরির জন্য অপেক্ষা করে যদি এদের চাকরি না দিতে পারি তাহলে এদের ফ্যামিলির অবস্থা কি হতে পারে
এবার আসা যাক পুলিশ এ requament নিয়ে সত্যি বলতে আমাদের ওয়েস্ট বেঙ্গল পুলিশ রিক্রুটমেন্ট হয় দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে পুলিশ রিক্রুটমেন্ট হতে দেখা যাচ্ছে সেটা বোধ হয় কিছুটা সুপ্রিমকোর্টের প্রেসারে
যাইহোক পুলিশকে recruitment জন্য বর্তমানে এমন কোন কোর্স চালু করা হয় নি এখানে উচ্চতা শারীরিক দক্ষতা এবং মেধা থাকলে প্রশ্ন ফাঁস হওয়া সত্ত্বেও লড়াই করলে এখনো পর্যন্ত চাকরি পাওয়া যায়
হয়তো কোনদিন শুনবো এই সমস্ত চাকরির ক্ষেত্রে কম্পিউটারের যোগ্যতার থাকতেই হবে কারণ এটা একটা ভালো বিজনেস মডেল রাজ্য সরকার অথবা কেন্দ্র সরকারের সার্টিফিকেট লাগবে না হলে ফর্ম ফিল আপ করতে পারবে না হয়তো কোনদিন এরকম নোটিফিকেশন ভবিষ্যতে আমরা দেখতে পারি
মধ্যবিত্ত ফ্যামিলির একটাই স্বপ্ন থাকে চাকরি তারা তেমন কোনো হাই চাকরি কিন্তু স্বপ্ন দেখেনা বা চেষ্টা করার মত পরিকাঠামো পশ্চিম বাংলার বুকে নেই
সুতরাং যে তিনটে চাকরি সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় স্কুল টিচার রেলের চাকরি এবং পুলিশ তবে তিনটি ক্ষেত্রে তিন ধরনের অভিজ্ঞতা বর্তমানে তোমাদের থাকা উচিত এদের সিলেবাস আলাদা এদের কোর্স আলাদা এদের চাকরির ধরন আলাদা তাই আগের মত সাধারন পড়াশুনায় সব ধরনের পরীক্ষায় বসতে পারবে না একদিকে ভাবলে ভালো কিন্তু একদিকে ভাবলে অনেকটা খারাপ
যাইহোক কথাগুলো যদি তোমাদের ভালো লেগে থাকে ভিডিওটি কে লাইক করো আমি চাই এই ভিডিওটিকে প্রচুর পরিমাণে শেয়ার করো আর লাইক আর কমেন্টের মাধ্যমে ভিডিওটিকে তোমরা ভাইরাল করতে পারো
ভালো থেকো প্রত্যেকটা ভাই বন্ধুরা পরিশ্রম করলে সাফল্য আসবেই সামনের দিকে এগিয়ে যাও এটুকু আশীর্বাদ করি জয় হিন্দ বন্দেমাতারাম

Post a Comment
Thanku visit my website