GK CLASS WBP MAIN KP 2022 | PART - 02 || ভূগোলের উপর গুরুত্বপূর্ণ 100 টি প্রশ্ন | GK QUESTION

 💥 1- 100  question class :- click here 



১০০. ভারতের ক্ষুদ্রতম প্রতিবেশি দেশ কী? —মালদ্বীপ।




১০১. কোন্ প্রতিবেশি দেশের সঙ্গে ভারত স্থলপথে যোগাযোগ করতে পারে না? — শ্রীলঙ্কা।




১০2. হিমালয় কী জাতীয় পর্বত? – নবীন ভঙ্গিল জাতীয়।




১০৩. হিমালয়ের দৈর্ঘ্য কত? – ২,৫০০ কিমি.। (পূর্ব থেকে পশ্চিমে)




১০৪. হিমালয় যেখানে অবস্থিত সেখানে আগে কী ছিল? —টেথিস সাগর।




১০৫. ভারতের উচ্চতম জলপ্রপাতের নাম কী? –গারসোপ্পা/যোগ।




১০৬. নদীর গতিপথে সৃষ্ট পৃথিবীর বৃহত্তম চর বা দ্বীপ? — মাজুলি দ্বীপ ব্রহ্মপুত্র।

-




১০৭. পৃথিবীর দীর্ঘতম নদীটির নাম কী? —নীল নদ (নীল নদ বহু হ্রদের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত

হয়েছে বলে অনেকে আমাজনকে পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী বলেন)।




১০৯. পার্বত্য অঞ্চলে হিমবাহ-উপত্যকা ও নদী-উপত্যকার আকৃতি কী রূপ? — পার্বত্য অঞ্চলে ‘হু’–এর মতো এবং নদী উপত্যকার আকৃতি ‘ঢ’ এবং ‘দ্দ’-এর মতো হয়।

        


        গুরুত্বপূর্ণ অক্ষরেখা ও তার মান




১১০. অক্ষাংশ নির্ণয়ে যে যন্ত্রটি ব্যবহৃত হয় তার নাম কী? — সেক্সট্যান্ট যন্ত্র।





১১১. সমাক্ষরেখাগুলির মধ্যে কোন্‌টি মহাবৃত্ত? —নিরক্ষরেখা।





১১২. ভারতের প্রমাণ সময় নির্ণয়ের জন্য কোন্ দ্রাঘিমা নির্ধারিত হয়েছে? – ৮২°৩০′ পূর্ব।





১১৩. গ্রিনিচের সময় নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম কী? ক্রোনোমিটার। (এটি বিশেষ ধরনের ঘড়ি)।





১১৪. কোন্ প্রণালির মধ্যে দিয়ে আন্তর্জাতিক তারিখরেখা কল্পনা করা হয়েছে? — বেরিং।





১১৫. কোন্ শিলায় স্তর থাকে না? — আগ্নেয় শিলা।




১১৬. দুটি আগ্নেয় শিলার উদাহরণ দাও – গ্রানাইট ও ব্যাসাল্ট।





১১৭. দুটি পাললিক শিলার উদাহরণ দাও – বেলেপাথর ও চুনাপাথর।





১১৮. দুটি রূপান্তরিত শিলার উদাহরণ দাও —-গ্রানাইট থেকে নিস্ ও চুনাপাথর থেকে মারবেল।





১১৯. কোন্ শিলায় জীবাশ্ম দেখতে পাওয়া যায়? —পাললিক শিলায়।




১২০. কোন্ শিলার অপর নাম প্রাথমিক শিলা? — আগ্নেয় শিলা।




১২১. কোন্ শিলাকে স্তরীভূত শিলা বলা হয়? – পাললিক শিলাকে।




১২২. ভারতে কোথায় প্রচুর পরিমাণে গ্রানাইট শিলা দেখতে পাওয়া যায়? -পুরুলিয়া জেলা ও ছোটোনাগপুর মালভূমিতে।





১২৩. কোন্ শিলায় কয়লা, খনিজ তেল সঞ্চিত থাকে? — পাললিক শিলায় ।





১২৪. ডলোমাইট শিলা ভারতের কোথায় বেশি দেখতে পাওয়া যায়? — বিহারের সিংভূম এলাকা

ও দক্ষিণ ভারতে।





১২৫. পলির উৎপত্তি অনুসারে পাললিক শিলাকে ক-ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী? —দুভাগে:

১) সংঘাত শিলা ও ২) অসংঘাত শিলা।





১২৬. উদ্‌বেধী আগ্নেয় শিলাকে ক-ভাগে ভাগ করা যায় ও কী কী?

১) পাতালিক শিলা ও ২) উপপাতালিক আগ্নেয় শিলা।





১২৭. কী কী প্রক্রিয়ায় শিলা রূপান্তরিত হয় – চাপ, তাপ ও রাসায়নিক প্ৰকয়ো।





১২৮. গ্রানাইট শিলা গঠিত অঞ্চলের ভূমিরূপ কীরূপ হয়? — গোলাকার।





১২৯. ব্যাসা:ট শিলা গঠিত অঞ্চলের ভূমিরূপ কীরূপ হয়? —চ্যাপটা।





১৩০. ডেকান ট্র্যাপ ও রাজমহল পাহাড় কোন্ শিলায় গঠিত? -ব্যাসাল্ট।





১৩১. একটি নিঃসারী আগ্নেয় শিলার উদাহরণ দাও --ব্যাসাল্ট।





১৩২. সচ্ছিদ্রতা কোন্ শিলার বৈশিষ্ট্য কী? - পাললিক শিলার।



১৩৩. চুনাপাথর কী ধরনের শিলা? —পাললিক শিলা।





১৩৪. ভূত্বকে কোন্ শিলা প্রথম সৃষ্টি হয়? — আগ্নেয় শিলা।





১৩৫. কোয়ার্টজাইট কোন্ শিলার পরিবর্তিত রূপ? — বেলেপাথরের।





১৩৬. অ্যাম্ফিবোলাইট কোন্ শিলার পরিবর্তিত রূপ? —ব্যাসাল্ট শিলার।





১৩৭. কয়লা শিলা না খনিজ? – শিলা।




১৩৮. কয়লা কোন্ শ্রেণির শিলা? —জৈব শিলা বা অঙ্গারময়।




১৩৯. গ্রাফাইট কোন্ শিলার রূপান্তর? – পাললিক শিলার।





১৪০. কংগ্লোমারেট কোন্ জাতীয় শিলার পর্যায়ে পড়ে? — প্রস্তরময় পাললিক শিলা।





১৪১. হর্নরেন্ড কোন্ জাতীয় শিলা? – রূপান্তরিত।





১৪২. ভূমিকম্পের কেন্দ্র কাকে বলে? — যেখানে কম্পনের উৎপত্তি হয়।





১৪৩. ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূপৃষ্ঠের অভ্যন্তরে কতটা নীচে থাকে? – ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৬ কিমি গভীরতার মধ্যে থাকে, কোন কোন ক্ষেত্রে এই গভীরতা ৩০-৩৫ কিলোমিটার বা আর বেশি হতে পারে।





১৪৪. ভূমিকম্পের তীব্রতা পরিমাপক স্কেলটির নাম কী? রিখটার স্কেল।





১৪৫. ভূমিকম্পের দেশ কাকে বলে? — জাপান।





১৪৬. ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট বড়ো বড়ো সামুদ্রিক ঢেউকে জাপানে কী বলে? --সুনামি।





১৪৭. সমভূকম্পন রেখা বা আইসো সিসম্যাল লাইন কাকে বলে? — যে সব জায়গায় ভূমিকম্পের তীব্রতা সমানভাবে অনুভূত হয় সেই জায়গাগুলিকে পরস্পর যোগ করলে যে রেখা উৎপন্ন হয়।





১৪৮. ভারতের একটি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের নাম করো। —কুমায়ুন হিমালয় অঞ্চল।





১৪৯. ভূ-অভ্যন্তরে উৎপন্ন ভূকম্প তরঙ্গগুলি ভূপৃষ্ঠে প্রথমে এসে লাগে? – ভূমিকম্পের উপকেন্দ্রে।





১৫০. পৃথিবীর ছাদ কাকে বলে? – পামির মালভূমিকে।





১৫১. আবহাওয়ার তারতম্যে শিলা চূর্ণ-বিচূর্ণ হলে তাকে বলে – আবহবিকার বা বিচূর্ণীভবন।





১৫২. ভূপৃষ্ঠস্থ চূর্ণ-বিচূর্ণ শিলাসমূহ যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অপসারিত হয় তাকে কী বলা হয়? –

ক্ষয়ীভবন।





১৫৩. নিরক্ষীয় বা উষ্ম-আর্দ্র জলবায়ু অঞ্চলে কোন্ ধরনের আবহবিকার বেশি সক্রিয়?

রাসায়নিক আবহবিকার।





১৫৪. এক্সফোলিয়েশান বা গোলাকৃতি আবহবিকার বেশি হয়? – গ্রানাইট জাতীয় শিলা।





১৫৫. যান্ত্রিক আবহবিকারের ফলে শিলার কী ধরনের পরিবর্তন হয়? — আকৃতিগত পরিবর্তন।





১৫৬. কী ধরনের শিলাগঠিত অঞ্চলে রাসায়নিক আবহবিকারের প্রাধান্য পাওয়া যায় ?

চুনাপাথর গঠিত অঞ্চলে।





১৫৭. পৃথিবীর বৃহত্তম গিরিখাত বা ক্যানিয়ন? —গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন/কলোরাডো।





১৫৮. পলি, কাদা প্রভৃতি হালকা পদার্থ নদী কীভাবে বহন করে?—ভাসমান প্রক্রিয়ায়।





১৫৯. পৃথিবীর উচ্চতম জলপ্রপাতের নাম কী? —অ্যাঞ্জেল জলপ্রপাত (ভেনেজুয়েলা)।





১৬০. বায়ুর ক্ষয়কার্যের ফলে সৃষ্ট ব্যাঙের ছাতার মতো ভূমিরূপকে কী বলে? —গৌর।





১৬১. রাজস্থান মরু অঞ্চলে চলমান বালিয়াড়িগুলিকে কী বলে? —থ্রিয়ান।





১৬২. নদীর কোন্ প্রবাহে জলপ্রপাতের সৃষ্টি হয়? — পার্বত্য প্রবাহে।





১৬৩. নদীপ্রবাহ পরিমাপের একককে কী বলে? —কিউসেক।





১৬৪. পার্বত্য অঞ্চলে নদীর প্রধান কাজ কী? — ক্ষয়কার্য।





১৬৫. নদীখাত খুব সংকীর্ণ ও গভীরতা হলে তাকে কী বলে? — মিয়েন্ডার।





১৬৬. তির্যক বালিয়াড়ির আর এক নাম কী? – বাৰ্খান।





১৬৭. বায়ুবাহিত পলি নিম্নভূমিতে সঞ্চিত হয়ে সৃষ্ট সমতলভূমিকে কী বলে? —লোয়েস সমভূমি।





১৬৮. পৃথিবীর গতিপথের কোন্ অংশে সঞ্চয়কার্য বেশি হয়? —তৃতীয় অংশে অর্থাৎ নিম্ন বা বদ্বীপ প্রবাহে।





১৬৯. কারাকোরাম পর্বতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ কী? — গডউইন অস্টিন বা K,





১৭০. ভুটানের প্রধান অর্থকরী ফসলের নাম কী? – বড়ো এলাচ।





১৭১. ছাতক কোন্‌ শিল্পের জন্য বিখ্যাত? – ছাতক (বাংলাদেশ) সিমেন্ট শিল্পের জন্য বিখ্যাত ৷





১৭২. বাংলাদেশের পার্বত্য অঞ্চল বলতে প্রধানত কোন্ অঞ্চলকে বোঝায়? – পার্বত্য চট্টগ্রামকে।





১৭৩. বাংলাদেশের দুটি নদীর নাম কী? – পদ্মা ও যমুনা।





১৭৪. বাংলাদেশ কবে স্বাধীন রাষ্ট্রের মর্যাদা অর্জন করে? – ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর।





১৭৫. বাংলাদেশের জলবায়ু কী প্রকৃতির? —ক্রান্তীয় মৌসুমি প্রকৃতির।




১৭৬. মায়ানমারের জলবায়ু কী প্রকৃতির? – ক্রান্তীয়, মৌসুমি প্রকৃতির।




১৭৭. শ্রীলঙ্কা ভারতের কোন্ দিকে অবস্থিত? —দক্ষিণ দিকে।




১৭৮. কোন্ প্রণালীর মাধ্যমে ভারত শ্রীলঙ্কা থেকে বিচ্ছিন্ন? – পক্ প্রণালি।





১৭৯. শ্রীলঙ্কায় প্রধানত কী জাতীয় অরণ্য দেখতে পাওয়া যায়? —চির সবুজ অরণ্য।





১৮০. দারুচিনি দ্বীপ কাকে বলে? — শ্রীলঙ্কাকে।




১৮১. গ্রাফাইট উৎপাদনে বিশ্বে শ্রীলঙ্কার স্থান কী? – প্রথম।




১৮২. পাকিস্তানের দুটি গিরিপথের নাম কী কী? — খাইবার ও বোলান।





১৮৩. পাকিস্তানের জলবায়ু কী প্রকৃতির? —শুষ্ক ও চরম প্রকৃতির।




১৮৪. ইতিহাস প্রসিদ্ধ শহর তক্ষশীলা কোথায় অবস্থিত? — পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের কাছে।





১৮৫. আফগানিস্তান ভারতের কোন সীমান্তে অবস্থিত? – উত্তর-পশ্চিমে।




১৮৬. আফগানিস্তানের অবস্থানকে কী বলে? —থলবেষ্টিত বা মহাদেশীয়।




১৮৭. আফগানিস্তানের জলবায়ু কীরকম? শুষ্ক মহাদেশীয় ও চরম প্রকৃতির।




১৮৮. আফগানিস্তানে প্রধানত কী প্রথায় জলসেচ করা হয়? –ক্যারেজ প্রথায়।




১৮৯. আফগানিস্তানের প্রসিদ্ধ পুরুষানুক্রমিক বা ঐতিহ্যবাহী শিল্পটির নাম কী?

—কার্পেট বা গালিচা শিল্প।

            


           বিখ্যাত সীমান্তরেখাসমূহ




১৯০ ডুরান্ড রেখা: ভারত ও আফগানিস্থানের মধ্যবর্তী সীমানা, স্যার মরটিমার ডুরাল্ড ১৮৯৬ সালে এই রেখা চিহ্নিত করেছিলেন।




১৯১হিনডেনবেঙ্গ রেখা: জার্মানি এবং পোল্যান্ডের মধ্যবর্তী সীমারেখা।




১৯২ম্যাকমোহন রেখা: ভারতবর্ষ এবং চিন-এর মধ্যবর্তী সীমারেখা।




১৯৩ম্যাগিনট রেখাঃ ফ্রান্স এবং জার্মানির মধ্যবর্তী সীমারেখা।



১৯৪অর্ডার নীসে রেখাঃ পোল্যান্ড এবং জার্মানির মধ্যবর্তী সীমারেখা।




১৯৫র‍্যাডক্লিফ রেখা: ভারত এবং পাকিস্তান।





১৯৬সতেরোতম সমাপ্তরাল রেখা: উত্তর ভিয়েতনাম এবং দক্ষিণ ভিয়েতনাম।




Download PDF File :- CLICK HERE 

Post a Comment

Thanku visit my website

Previous Post Next Post